সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা মোটিভেশন দেয়, তারা অধিকাংশ ই অনেক ব্যাপারে অজ্ঞ হলেও সেটা ঢাকার বা অস্বীকার করার চেষ্টা করে। সওগাত এহসান চিকিৎসক বা শিক্ষক হিসেবে বেশ ভাল বলে শুনেছি। তার পোস্টে সরাসরি বদনজর নিয়ে বিদ্রুপ করতে দেখে অবাক হলাম।
causative agent এর রুট অফ ট্রান্সমিশন এক জিনিস, আর বদনজরের জন্য শরীরের ইমুউনিটি কমে গিয়ে সেই causative agent দিয়ে অসুস্থ হওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। বদনজর সত্যি- এটায় বিশ্বাস করা ঈমানের বিষয়। এটাকে সাইন্সের সাথে কোরিলেট করবেন কিভাবে? উত্তর অনেক-
বদনজর উটকে পাতিলে মানুষ কে কবরে পৌছে দেয়, কাজেই কবরে যাওয়ার আগে মানুষের ইমিউনিটি ধ্বংস করে দেয়া বদনজরের জন্য খুবই সহজ।
রোটা ভাইরাস বা আরও অনেক জীবানুর জন্য ডায়রিয়া হতে পারে, কিন্তু সেটা শরীর ফাইট করতে পারবে কি পারবেনা সেটা কোন ডাক্তার বলতে পারবেনা। বলতে পারবেন আল্লাহ।
এই জায়গায় এসে সাইন্স মাইর খেয়ে যায়। সমস্যা হচ্ছে, "অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী" এই শব্দটার এপ্রোপ্রিয়েট এপ্লাই করে আমাদের গ্র্যাজুয়েট বা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ধারী মূর্খরা।
আমরা যখন পড়তাম, তখন আমাদের সর্বোচ্চ লেভেলের প্রফেসরদেরকেও দেখতাম সারাদিন পড়ছেন। নিউটন, এরিস্টটল রাও নিজেদের জ্ঞানের লেভেল নিয়ে সংশয়ে থাকতেন। আমরা এক ডেভিডসন এর বাইরে গেলেই ভাইভা বোর্ডে থট ব্লক, থ্রট ব্লক সব হয়ে যায়। অথচ হ্যারিসন, হাচিসন আরও কত বই আছে শুধু মেডিসিনের। সার্জারী আর গাইনীর সাবজেক্ট নিয়ে যদি একজন ডাক্তার কে গভীরে ধরলে কেউ পারবেনা এটাই স্বাভাবিক। একটা মানুষের শরীর নিয়েই আমাদের কোন ডাক্তার ১০০% ত দূরে থাক ৫০% ও নলেজ রাখেনা।
এদের কমেন্টে যদি কিছু বুঝাতে যান, হাহা দিয়ে ভরায় দেবে। আমাদের একজন চক্ষু সার্জন সেখানে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন, তাকে একজন নরমাল এমবিবিএস জ্ঞান দিতে গেছে যে কোভিড টেস্ট নিয়ম না জেনে করেছে। আরও ১৫টা হাহা রিএক্ট, সবাই এমবিবিএস।
ধরেন আপনি ছাত্র, আপনার স্যার আপনাকে একটা জিনিস পড়াচ্ছে। কিন্তু সেটা পাবলিকে। ত পাবলিকের কাছে আপনার খ্যাতি অনেক। আপনি তখন করলেন কি, আপনার স্যারকে হাসি দিয়ে উড়ায় দিলেন।
ঠিক ওই মুহুর্তে আপনি প্রমাণ করে দিলেন, আপনি একটা বলদ এবং গণ্ডমূর্খ।
একজন ডাক্তার হয়ে পাবলিকলি এভাবে বলা আমি মতে ভালো দেখায় নাহ তার সাথে সরাসরি কথা বললে পারতে।আপনার সাথে আমার সরাসরি কথা বলার ইচ্ছে Yesterday