সুদীপ চক্রবর্তী নিয়ে একটা ঘটনা শেয়ার করি।
২০২৩ সালে আমার বাম পায়ে একবার হ্যামস্ট্রিং ইঞ্জুরি হয়। এই ইঞ্জুরি যখন একটু রিকোভারির দিকে যাচ্ছিলো তখনই বাইক এক্সিডেন্ট করে হাঁটু, কনুই ছিলে যাওয়া সহ হ্যামস্ট্রিংটা পুনরায় ছিঁড়ে গিয়েছিলো। এক্সিডেন্টের পরের দিন সকাল ৯টায় উনার ক্লাস ছিলো। পিএইচডি শেষে বিদেশফেরত একজন শিক্ষকের নিয়মকানুন, নীতিকথা শুনে ভালো লাগতো বলে অসুস্থতা সহ হাতেপায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে ক্লাসে গিয়েছিলাম৷ হ্যামস্ট্রিংয়ের জন্য হাটু ভাজ করতে না পারায় কলাভবনের লিফটের সামনের লম্বা সিরিয়াল ধরে ক্লাসে ঢুকে দেখলাম আমার দুই মিনিট দেরি হয়েছে। উনি শারীরিক অবস্থা দেখে জানতে চাইলেন আমার কি হয়েছে। ঘটনা…